বামনগাছিতে অনুষ্ঠিত হল এনআরসি বিরোধী সমাবেশ
বামনগাছির বলাকা ভবনে অনুষ্ঠিত হল এনআরসি বিরোধী সম্মেলন। এনআরসি'র ফলে আসামে ১২ লক্ষ দেশহারা মানুষকে বেনাগরিক করার প্রতিবাদে আজ, ৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রবিবার বামনগাছির বলাকা ভবনে অনুষ্ঠিত হল প্রতিবাদী সমাবেশ। বিভিন্ন বক্তা এই প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। তাদের প্রত্যেকেরই বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল আসামের এনআরসি প্রক্রিয়া ও তার ফলে নাগরিকত্ব হারানো ১২ লক্ষ দেশহারা নাগরিকের কথা।
মছলন্দপুরে এনআরসি সচেতনতা সভা
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রী চিত্তরঞ্জন বসাক, শ্রী দুলাল সরকার।দুলাল বাবু এনআরসি ও নাগরিকত্ব বিষয়ক আইনের দিকগুলি তুলে ধরেন। দুরন্ত বক্তব্য রাখেন শ্রী প্রভাস বিশ্বাস।তার উদ্দীপনাময় বক্তৃতায় তিনি সমস্ত বিভেদ ভুলে সবাইকে এক হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামার আহ্বান জানান। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন বিনয় বিশ্বাস, রীতেশ বসু প্রমুখ।
সমাবেশে লোকসমাবেশ ছিল চোখে পড়ার মতো। সমবেত জনতা ছিল যথেষ্ট উদ্দীপিত।
প্রধান বক্তা শ্রী সুবোধ বিশ্বাস নাগরিকত্ব বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ভারতের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকার যেসব আইনগুলি প্রণয়ন করেছেন সেগুলি প্রণয়নের উদ্দেশ্য ও ফলাফল বিশদে ব্যাখ্যা করেন। বিভিন্ন সময়ে সরকারের দ্বারা বাঙালিদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে তা তুলে ধরেন। এবং এনআরসি প্রক্রিয়া যে তারই এক অধুনা সংস্করণ সে বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন।
সবশেষে আন্দোলন পরিচালনার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি হয় একটি কমিটি। সুবোধবাবু সেই কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। জীবনের বিনিময়ে হলএও যে তিনি উদ্বাস্তু বাঙালিদের নাগরিকত্বের অধিকার আদায় করবেন তা জোরের সঙ্গেই বলেন, এবং এ ব্যাপারে তার সংগঠনের কর্মীদেরও অনুপ্রাণিত করেন।
মছলন্দপুরে এনআরসি সচেতনতা সভা
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রী চিত্তরঞ্জন বসাক, শ্রী দুলাল সরকার।দুলাল বাবু এনআরসি ও নাগরিকত্ব বিষয়ক আইনের দিকগুলি তুলে ধরেন। দুরন্ত বক্তব্য রাখেন শ্রী প্রভাস বিশ্বাস।তার উদ্দীপনাময় বক্তৃতায় তিনি সমস্ত বিভেদ ভুলে সবাইকে এক হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামার আহ্বান জানান। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন বিনয় বিশ্বাস, রীতেশ বসু প্রমুখ।
সমাবেশে লোকসমাবেশ ছিল চোখে পড়ার মতো। সমবেত জনতা ছিল যথেষ্ট উদ্দীপিত।
প্রধান বক্তা শ্রী সুবোধ বিশ্বাস নাগরিকত্ব বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ভারতের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকার যেসব আইনগুলি প্রণয়ন করেছেন সেগুলি প্রণয়নের উদ্দেশ্য ও ফলাফল বিশদে ব্যাখ্যা করেন। বিভিন্ন সময়ে সরকারের দ্বারা বাঙালিদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে তা তুলে ধরেন। এবং এনআরসি প্রক্রিয়া যে তারই এক অধুনা সংস্করণ সে বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন।
সবশেষে আন্দোলন পরিচালনার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি হয় একটি কমিটি। সুবোধবাবু সেই কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। জীবনের বিনিময়ে হলএও যে তিনি উদ্বাস্তু বাঙালিদের নাগরিকত্বের অধিকার আদায় করবেন তা জোরের সঙ্গেই বলেন, এবং এ ব্যাপারে তার সংগঠনের কর্মীদেরও অনুপ্রাণিত করেন।




Comments
Post a Comment